Free Mouza Map All Bangladesh
মৌজা ম্যাপ (Mouza Map) কী?
DOWNLOAAD
মৌজা ম্যাপ (Mouza Map) কী?
মৌজা ম্যাপ হলো ভূমি জরিপের সময় প্রস্তুত করা একটি হাতে আঁকা বা ডিজিটাল মানচিত্র। এই মানচিত্রের প্রধান কাজগুলি হলো:
মৌজা: 'মৌজা' হলো রাজস্ব আদায়ের জন্য নির্ধারিত একটি সর্বনিম্ন একক এলাকা বা ভূখণ্ড। ম্যাপটি এই নির্দিষ্ট মৌজার সীমানা এবং ভেতরের সমস্ত জমির চিত্র তুলে ধরে।
জমির নকশা: এই ম্যাপে মৌজার অন্তর্ভুক্ত প্রতিটি প্লট বা জমির অংশকে তার দাগ নম্বর (Plot Number) দিয়ে চিহ্নিত করা থাকে এবং সেই দাগের সীমানা বা আইল (Ail) স্পষ্ট করে আঁকা থাকে।
জরিপের ভিত্তি: এটি ভূমি জরিপের (যেমন CS, SA, RS, BS, ইত্যাদি) মূল দলিল, যা খতিয়ানের (রেকর্ড অফ রাইটস) সাথে জমির অবস্থান ও পরিমাপ মেলাতে সাহায্য করে।
কেন মৌজা ম্যাপ গুরুত্বপূর্ণ?
জমির সঠিক সীমানা নির্ণয়: এটি ব্যবহার করে আপনার জমির আইল (সীমানা) বাস্তবে চিহ্নিত করা যায়।
ক্রয়-বিক্রয় ও বিরোধ নিষ্পত্তি: জমি কেনা-বেচা বা সীমানা সংক্রান্ত বিরোধ মেটানোর জন্য এটি আইনিভাবে অপরিহার্য দলিল।
অবস্থান চিহ্নিতকরণ: ম্যাপ দেখে আপনার জমিটি মৌজার কোন অংশে অবস্থিত, তা সহজে বোঝা যায়।
📄 কিভাবে মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ করবেন?
মৌজা ম্যাপের মুদ্রিত কপি বা স্ক্যান কপি সরকারিভাবে এবং কিছু বেসরকারি প্ল্যাটফর্ম থেকেও সংগ্রহ করা যায়।
১. সরকারিভাবে সংগ্রহের স্থান
ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর (DLR): এটি মৌজা ম্যাপের প্রধান কাস্টডিয়ান বা সংরক্ষক অফিস (সাধারণত তেজগাঁও, ঢাকাতে অবস্থিত)।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের রেকর্ড রুম: স্টক থাকা সাপেক্ষে জেলা প্রশাসকের দপ্তরের রেকর্ড রুম থেকেও ম্যাপের প্রিন্টেড কপি সংগ্রহ করা যায়।
উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিস: চূড়ান্ত প্রকাশনাকালীন সময়ে এই অফিস থেকে ম্যাপ সংগ্রহ করা যায়।
২. অনলাইন বা ডিজিটাল মাধ্যমে
ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট/পোর্টাল: বর্তমানে বাংলাদেশ সরকার ভূমি সেবাকে ডিজিটাল করার উদ্যোগ নিয়েছে। ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের (DLRS) ওয়েবসাইটে বা ভূমি সেবার পোর্টালে (যেমনঃ settlement.gov.bd বা map.land.gov.bd) নির্দিষ্ট ফি পরিশোধ করে অনলাইনে ম্যাপ অনুসন্ধানের এবং স্ক্যান কপি সংগ্রহের সুযোগ রয়েছে।
বেসরকারি প্ল্যাটফর্ম: কিছু ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম নির্ধারিত মূল্যে মৌজা ম্যাপের (যেমন KML বা AutoCAD ফরম্যাটে) ডিজিটাল কপি সরবরাহ করে।
সংগ্রহের প্রক্রিয়া (সাধারণত):
আবেদন: নির্ধারিত ফি দিয়ে একটি আবেদন করতে হবে।
ফি প্রদান: সরকারি ফি পরিশোধ করতে হবে (সাধারণত ম্যাপের জন্য ৫০০/- টাকা বা তার বেশি, সাথে আবেদন ফি যোগ হয়)।
সংগ্রহ: আবেদন করার পরের দিন বা নির্ধারিত তারিখে ম্যাপের কপি সংগ্রহ করা যায়।
মৌজা ম্যাপ সংক্রান্ত আপনার নির্দিষ্ট কোনো প্রশ্ন আছে কি? যেমন:
কোনো নির্দিষ্ট এলাকার ম্যাপ কিভাবে খুঁজবেন?
মৌজা ম্যাপ কীভাবে পড়তে বা বুঝতে হয়?
কোন জরিপের ম্যাপটি সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য
কোনো নির্দিষ্ট এলাকার ম্যাপ কিভাবে খুঁজবেন?
একটি নির্দিষ্ট এলাকার মৌজা ম্যাপ বা নকশা খুঁজে বের করার জন্য আপনাকে মূলত দুটি পদ্ধতির যেকোনো একটি অবলম্বন করতে হবে: অনলাইন পদ্ধতি (যা বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয়) এবং অফলাইন বা সরকারি অফিসে সরাসরি আবেদন পদ্ধতি।
বর্তমানে বাংলাদেশ সরকার ভূমি সেবাকে ডিজিটাল করার ফলে আপনি সহজেই অনলাইনে ম্যাপ অনুসন্ধান করতে পারেন।
১. অনলাইনে মৌজা ম্যাপ খোঁজার পদ্ধতি (ডিজিটাল মাধ্যমে)
ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের (DLRS) এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের কিছু পোর্টালে এই সুবিধা রয়েছে।
প্রয়োজনীয় তথ্য:
অনলাইনে ম্যাপ অনুসন্ধানের জন্য আপনার নিম্নলিখিত তথ্যগুলি প্রয়োজন হবে:
জেলা (District)
উপজেলা/থানা (Upazila/Thana)
জরিপের ধরণ (Survey Type): যেমন - $\text{CS}$ (ক্যাডেস্ট্রাল সার্ভে), $\text{SA}$ (স্টেট অ্যাকুইজিশন), $\text{RS}$ (রিভিশনাল সার্ভে) বা $\text{BS/BL}$ (বাংলাদেশ সার্ভে/বাছাইকৃত তালিকা)।
মৌজা ও জে এল নম্বর (Mouza & JL No.)
ধাপসমূহ:
ওয়েবসাইটে প্রবেশ: ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের অনলাইন পোর্টাল বা ভূমি মন্ত্রণালয়ের যেকোনো অনলাইন ম্যাপ সেবার ওয়েবসাইটে (যেমন $\text{settlement.gov.bd}$ বা $\text{map.land.gov.bd}$) প্রবেশ করুন।
অনুসন্ধান নির্বাচন: ওয়েবসাইটে "ম্যাপ অনুসন্ধান" বা "ভূমি নকশা" অপশনে ক্লিক করুন।
শনাক্তকারী তথ্য দিন: ড্রপ-ডাউন মেনু থেকে ক্রমানুসারে আপনার বিভাগ, জেলা, উপজেলা/থানা, জরিপের ধরণ এবং মৌজা নির্বাচন করুন।
ম্যাপ বা প্লট নির্বাচন: মৌজা নির্বাচন করার পর যদি ম্যাপটি আপলোড করা থাকে, তবে আপনি সেই মৌজার ম্যাপের শিট নম্বর (Sheet No.) অথবা দাগ নম্বর (Plot No.) ব্যবহার করে আপনার নির্দিষ্ট প্লটের অবস্থান দেখতে পারবেন।
কপি সংগ্রহ: যদি অনলাইনে ম্যাপ পাওয়া যায়, তবে নির্ধারিত সরকারি ফি পরিশোধ করে আপনি ম্যাপের স্ক্যান কপি বা মুদ্রিত কপির জন্য আবেদন করতে পারবেন।
গুরুত্বপূর্ণ নোট: সব মৌজার ম্যাপ এখনো অনলাইনে আপলোড নাও থাকতে পারে, বিশেষ করে যেসব এলাকায় জরিপ কাজ এখনও চূড়ান্ত প্রকাশনার স্তরে রয়েছে।
২. সরকারি অফিসে সরাসরি আবেদন পদ্ধতি (অফলাইন)
যদি অনলাইনে ম্যাপ না পান, বা মুদ্রিত কপি নিতে চান, তবে এই পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে:
সংগ্রহের স্থান:
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের রেকর্ড রুম: স্টক থাকা সাপেক্ষে এখান থেকে ম্যাপের মুদ্রিত কপি পাওয়া যায়।
ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, ঢাকা: এটি মৌজা ম্যাপের প্রধান সংরক্ষণাগার। দরখাস্তের মাধ্যমে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে এখান থেকেও ম্যাপের স্ক্যান বা মুদ্রিত কপি সংগ্রহ করা যায়।
আবেদনের তথ্য:
সরাসরি আবেদনের জন্য আপনার সেই এলাকার জে এল (JL) নম্বর এবং জরিপের ধরণ জানা থাকা জরুরি।
কোনো নির্দিষ্ট জেলা বা উপজেলা নিয়ে আপনার জানতে চাইলে, আমি সেই অঞ্চলের জন্য বর্তমানে অনলাইনে কোনো ম্যাপ সেবা সহজলভ্য আছে কিনা তা খুঁজে দেখতে পারি।
মৌজা ম্যাপ কীভাবে পড়তে বা বুঝতে হয়
মৌজা ম্যাপ বা নকশা কীভাবে পড়তে বা বুঝতে হয়, তা জানা জমি পরিমাপ এবং আইনি যাচাইয়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি একটি কারিগরি বিষয়, যা বোঝার জন্য কিছু প্রধান বিষয়বস্তু এবং সাংকেতিক চিহ্নের ধারণা থাকা প্রয়োজন।
এখানে মৌজা ম্যাপ পড়ার মূল ধাপগুলো ব্যাখ্যা করা হলো:
১. ম্যাপের প্রাথমিক তথ্য বোঝা
একটি মৌজা ম্যাপের প্রথম এবং প্রধান কাজ হল ম্যাপটি কোন এলাকার এবং কোন সময়ের, তা শনাক্ত করা।
| অংশ | বিবরণ |
| জে এল নম্বর (J. L. No.) | এটি একটি নির্দিষ্ট মৌজার সরকারি পরিচয় নম্বর। এটি ম্যাপের ওপরে বা কোণে লেখা থাকে। |
| মৌজার নাম | ম্যাপটি যে গ্রামের বা এলাকার, তার নাম উল্লেখ করা থাকে। |
| জরিপের ধরণ | ম্যাপটি কোন জরিপের ভিত্তিতে তৈরি হয়েছে: $\text{CS}$ (ক্যাডেস্ট্রাল সার্ভে), $\text{SA}$ (স্টেট অ্যাকুইজিশন), $\text{RS}$ (রিভিশনাল সার্ভে), বা $\text{BS}$ (বাংলাদেশ সার্ভে)। |
| শিট নম্বর | বড় মৌজার ক্ষেত্রে ম্যাপটি একাধিক শিটে (পাতা) ভাগ করা থাকে। আপনি যে শিটটি দেখছেন, তার নম্বর। |
| স্কেল (Scale) | এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ম্যাপের একটি নির্দিষ্ট দূরত্ব বাস্তবে কত দূরত্ব বোঝায়, তা স্কেল দিয়ে বোঝা যায়। যেমন: $\text{16"} = \text{1}$ মাইল ($\text{CS}$ ম্যাপের ক্ষেত্রে) অথবা $\text{1": 80}$ ফুট (সাধারণত $\text{RS/BS}$ ম্যাপের ক্ষেত্রে)। |
২. দাগ নম্বর ও জমির সীমানা চিহ্নিত করা
ম্যাপের ভেতরের মূল চিত্রটি বোঝার জন্য দাগ নম্বর এবং সীমানা রেখা বোঝা জরুরি।
দাগ নম্বর (Plot Number): ম্যাপের ভেতরে প্রতিটি প্লটের মাঝখানে বা কাছাকাছি একটি সংখ্যা লেখা থাকে। এই সংখ্যাটিই হলো দাগ নম্বর, যা খতিয়ানে উল্লিখিত দাগ নম্বরের সাথে হুবহু মিলতে হবে। আপনার জমির খতিয়ানের দাগ নম্বরটি ম্যাপে খুঁজে বের করতে হবে।
সীমানা রেখা (Boundary Lines):
সাধারণ রেখা: প্রতিটি দাগকে ঘিরে যে সরু রেখা আঁকা থাকে, তা হলো সেই প্লটের সীমানা বা আইল।
ডাবল লাইন/মোটা লাইন: দুটি মৌজার মাঝের বা একটি রাস্তার সীমানা নির্দেশ করার জন্য মাঝে মাঝে মোটা রেখা বা ডাবল লাইন ব্যবহার করা হয়।
বাত্তা দাগ/ছুট দাগ: মূল দাগের ভেতরে যদি কোনো ছোট প্লট থাকে যার নিজস্ব নম্বর নেই, তবে তাকে বাত্তা দাগ বলে এবং সেটি মূল দাগের সাথে মিলিয়ে পড়তে হয়।
৩. স্কেল ব্যবহার করে পরিমাপ করা
জমির সঠিক পরিমাপ বের করার জন্য স্কেল ও গুনিয়া (Guniya) নামক বিশেষ যন্ত্র ব্যবহার করা হয়।
স্কেল দেখা: প্রথমে ম্যাপের ওপরে বা নিচে দেওয়া স্কেলটি ভালোভাবে বুঝে নিন। যেমন, যদি স্কেল $\text{16"} = \text{1}$ মাইল হয়, তার মানে ম্যাপের ১৬ ইঞ্চি বাস্তবে ১ মাইলের সমান।
গুনিয়ার ব্যবহার: সার্ভেয়ার বা আমিনরা গুনিয়া স্কেল ব্যবহার করে ম্যাপের ওপরের দাগের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ পরিমাপ করেন। গুনিয়াতে দাগের যতগুলি ঘর আসে, তা স্কেল অনুযায়ী বাস্তবে কত ফুট বা মিটার হবে, তা হিসেব করা হয়।
ক্ষেত্রফল নির্ধারণ: দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের পরিমাপ বের করার পর একটি প্লটের ক্ষেত্রফল (শতাংশ বা একরে) বের করা হয়।
৪. সাংকেতিক চিহ্ন (Conventional Signs) বোঝা
ম্যাপে রাস্তা, নদী, পুকুর, বাড়ি, মন্দির ইত্যাদি বোঝানোর জন্য কিছু প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।
| চিহ্ন/প্রতীক | মানে |
| সরল রেখা | জমির আইল বা সীমানা |
| ডাবল রেখা | রাস্তা বা সরকারি সীমানা |
| হাঁসুলি বা অর্ধবৃত্ত | সরকারি রাস্তা, রেললাইন বা খাল-বিল |
| ছোট ছোট ঘর | বসতবাড়ি বা কাঠামো |
| বৃত্ত (মাঝখানে ফাঁকা) | পুকুর, খাল বা জলাশয় |
মৌজা ম্যাপ ভালোভাবে বুঝতে সাধারণত একজন লাইসেন্সপ্রাপ্ত সার্ভেয়ার (আমিন)-এর সাহায্য নেওয়া ভালো। কারণ তারা ম্যাপের খুঁটিনাটি ও জমির বাস্তব অবস্থা মিলিয়ে দেখতে সক্ষম।
কোন জরিপের ম্যাপটি সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য
এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন। সাধারণত, কোনো নির্দিষ্ট জরিপের ম্যাপকে একেবারে 'সর্বোত্তম' বলা যায় না, কারণ প্রতিটি জরিপের উদ্দেশ্য, সময়কাল এবং আইনি গুরুত্ব ভিন্ন হয়। তবে, জমির মালিকানা এবং সীমানা নির্ধারণের ক্ষেত্রে বর্তমানে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য এবং আপ-টু-ডেট ম্যাপ হলো:
🥇 বাংলাদেশ জরিপ বা বিএস (BS) ম্যাপ
বিএস (BS) জরিপ বা বাংলাদেশ সার্ভে (অন্যান্য নাম: সিটি জরিপ/ঢাকা মহানগর জরিপ/CSDP ইত্যাদি) হলো বাংলাদেশে পরিচালিত সর্বশেষ এবং আধুনিক জরিপ।
কেন বিএস (BS) ম্যাপ সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য?
সর্বশেষ তথ্য (Most Updated): এই জরিপটি অন্যান্য পুরনো জরিপের (যেমন $\text{CS}, \text{RS}$) পরে করা হয়েছে। তাই এতে জমির সর্বশেষ অবস্থা, সীমানা এবং মালিকানার পরিবর্তনগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
প্রযুক্তিগত উন্নতি: বিএস জরিপে উন্নত প্রযুক্তি, যেমন থিওডোলাইট, জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সিস্টেম (GIS), এবং স্যাটেলাইট ইমেজারি ব্যবহার করা হয়েছে, যা পরিমাপের ত্রুটি কমিয়েছে।
বর্তমান আইনি ভিত্তি: বর্তমানে জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য এবং ভূমি হস্তান্তর প্রক্রিয়ায় বিএস খতিয়ান ও ম্যাপকে আইনিভাবে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সীমানা পুনর্নির্ধারণ: এই জরিপে রাস্তা, খাল, এবং অন্যান্য সরকারি সম্পত্তির সীমানা নতুন করে নির্ধারণ করা হয়েছে, যা পুরনো ম্যাপে অনুপস্থিত থাকতে পারে।
অন্যান্য জরিপের ম্যাপের গুরুত্ব
যদিও বিএস ম্যাপ সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য, তবুও অন্যান্য জরিপের ম্যাপগুলো একেবারে অপ্রয়োজনীয় নয়। এগুলি 'Chain of Title' বা মালিকানা পরিবর্তনের ইতিহাস বোঝার জন্য খুব জরুরি:
| জরিপ ও ম্যাপের নাম | সময়কাল (সাধারণত) | গুরুত্ব |
| সিএস (CS) - ক্যাডেস্ট্রাল সার্ভে | ১৮৮৮ - ১৯৪০ সাল | এটি হলো প্রথম এবং মৌলিক রেকর্ড। জমিদারি প্রথা বিলোপের আগে তৈরি। এটি অন্যান্য জরিপের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। |
| এসএ (SA) - স্টেট অ্যাকুইজিশন | ১৯৫০ - ১৯৬২ সাল | জমিদারি প্রথা বিলুপ্তির পর তৈরি। এই ম্যাপে কিছু ত্রুটি থাকতে পারে, কারণ এটি সাধারণত হেলিকপ্টার বা দ্রুত পদ্ধতিতে করা হয়েছিল। |
| আরএস (RS) - রিভিশনাল সার্ভে | ১৯৬৬ - ১৯৯০ সাল | এসএ ম্যাপের ত্রুটিগুলো সংশোধন করার জন্য করা হয়েছিল। এটি এসএ-এর চেয়ে বেশি নির্ভরযোগ্য। |
🔑 সারসংক্ষেপ
বর্তমানের জন্য: যদি আপনার এলাকায় বিএস (BS) জরিপ সম্পন্ন হয়ে থাকে এবং চূড়ান্ত প্রকাশনা হয়ে গিয়ে থাকে, তবে সেই ম্যাপটিই সর্বাধিক নির্ভরযোগ্য।
ইতিহাস বোঝার জন্য: তবে, জমির মালিকানার ধারাবাহিকতা বোঝার জন্য আপনাকে অবশ্যই সিএস, এসএ, এবং আরএস ম্যাপের সাথে আপনার বিএস ম্যাপ মিলিয়ে দেখতে হবে



0 coment rios: